শিক্ষার উন্নয়নে বেসরকারি অনেক কার্যক্রম বা উদ্যোগের অবদান অনস্বীকার্য। বড় বড় সংস্থার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ছোট ছোট কিছু কার্যক্রম এতটাই প্রভাব বিস্তারকারী যে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসে। সাদত স্মৃতি পল্লী গ্রামের মানুষের শিক্ষা বিস্তারে ২০১৫ সাল থেকে নিরলসভাবে কাজ করছে। মেঘনা নদীর তীর ছুঁয়ে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দড়ি হাইরমারা গ্রামে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান।
গ্রামের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে সাদত স্মৃতি পল্লী।পাঁচটি কম্পিউটারের মাধ্যমে একজন প্রশিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন। এতে এলাকার দরিদ্র্য ছেলে-মেয়েরা বিনামূল্যে কম্পিউটার শেখার সুযোগ পাচ্ছে। সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার দুইটি ব্যাচের পৃথক কম্পিউটার ক্লাস হয়। প্রত্যেকটি ব্যাচকে এক বছর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এক বছর পরপর নতুন ব্যাচ নেওয়া হয়।
বর্তমানে প্রতি ব্যাচে ১০ জন করে দুইটি ব্যাচে মোট ২০ জন শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় মনিপুরা উচ্চ বিদ্যালয় ও ইউনুস মিয়া বালিকা বিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে এই প্রশিক্ষণ পাবে।
অপারেটিং সিস্টেম- উইন্ডোজ এক্সপি, মাইক্রোসফট অফিস, এমএস ওয়ার্ড, এমএস এক্সেল, এমএস পাওয়ার পয়েন্ট, এমএস এক্সেস এবং ইন্টারনেট ও ইমেইল বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শেলটেক গ্রুপের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদের ব্যক্তিগত আর্থিক সহযোগিতায় সাদত স্মৃতি পল্লী প্রকল্পটি পরিচালনা করে প্রথম আলো ট্রাস্ট।