বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

নরসিংদী রায়পুরার দড়ি হাইরমারা গ্রামের শিশুদের কাছে শিশু-বিকাশ কেন্দ্রটি আনন্দ ও বিনোদনের সাথে শিক্ষা গ্রহণের অন্যতম প্রিয় একটি প্রতিষ্ঠান৷ বৃহস্পতিবার বেলা ৩ টা, শুক্রবার সকাল ৮ টা বাজলেই স্থানীয় শিশুরা দল বেঁধে শিশু-বিকাশ কেন্দ্রে চলে আসে৷ শিশু-বিকাশ কেন্দ্রের প্রায় সকল শিশুরাই ছবি আঁকতে খুব ভালবাসে৷ ছবি আঁকার ক্লাসে বাচ্চাদের ছবি আঁকার জন্য কাগজ, পেনসিল, রং পেনসিল, ইরেজার, শার্পনার, স্কেল, বোর্ডসহ সবই শিশু-বিকাশ কেন্দ্র থেকে প্রদান করা হয়৷ ছবি আঁকা শেষে শিশুদের আঁকা ছবিগুলো শিক্ষকের হাতে তুলে দেওয়া হয়৷ শিক্ষক দেখার পর তা শিশু-বিকাশ কেন্দ্রে সংরক্ষিত থাকে৷

শিশু-বিকাশের শিক্ষার্থী সাথির বাবা আজহারুল ইসলাম (৪২) বলেন, ‘আমার মেয়ে আগে মানুষের সঙ্গে কথাই বলতে পারত না৷ শিশু-বিকাশ কেন্দ্রে যাওয়ার পর থেকে সে সবার সঙ্গে সহজে মিশতে পারে, সবার সঙ্গে ভালো করে কথা বলে৷ সে এখন ছবি আঁকতে পারে, গান গাইতে পারে৷ আপনাদের এই প্রতিষ্ঠান (সাদত স্মৃতি পল্লী) থাকায় এলাকার মানুষের অনেক উপকার হয়৷ এখান থেকে বাচ্চারা অনেক কিছুই শিখতে পারে৷’

default-image

তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের বিনা মূল্যের স্বাস্থ্য সেবাটা এলাকার মানুষের জন্য আশির্বাদ৷ বিশেষ করে গরিব মানুষ যারা দিন আনে দিন খায় তারা খুবই উপকৃত হয়৷’

সাদত স্মৃতি পল্লী প্রকল্পটি এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন আহমেদের ব্যক্তিগত আর্থিক সহায়তায় পরিচালনা করে প্রথম আলো ট্রাস্ট।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন