বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

শিশু বিকাশের শিক্ষার্থী জেবিনের বাবা কাজল মিয়া (৪২) বলেন, ‘আমার মাইয়া পরতেকবারই নাচের লাগি পুরস্কার পায়৷ গানও গায় ভালো৷ ইস্কুলের মাস্টররাও তারে খুব আদর করে৷ আমার একটাই মাইয়া, আমি হেরে পড়ালেহা শিখায়া বড় করতাম চাই৷ আপনাদের এহানে ছবিও আঁকাও শিখে৷ এগুলো হের খুব ভালো লাগে৷’

শিশু-বিকাশ কেন্দ্রটি দড়ি হাইরমারা, মনিপুরা, হাইরমারা ও আব্দুল্লাহপুরসহ কয়েকটি গ্রামের শিশু-কিশোরদের মানুষিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে৷ প্রতি শুক্রবার শিশু বিকাশের বাচ্চাদের ক্লাসের এক ফাঁকে নাশতা খাওয়ানো হয়৷ এতে বাচ্চাদের ক্লাসের ক্লান্তিও থাকে না৷ বাচ্চারা আনন্দ নিয়ে ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারে৷

নাচের ক্লাসের শিক্ষিকা প্রিয়াঙ্কা খানম বলেন, ‘দীর্ঘদিন বিরতির কারণে বাচ্চারা নাচের মুদ্রা ভুলে গেছে। এখন নতুন করে শিখছে তারা। তবে অনেক আনন্দ নিয়ে ক্লাসে আসে তারা।’

প্রথম আলো ট্রাস্টের পরিচালনায় এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন আহমেদের ব্যক্তিগত আর্থিক সহায়তায় সাদত স্মৃতি পল্লী প্রকল্পটি পরিচালিত হয়।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন