বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুক্রবার সকাল থেকেই শিশু-বিকাশের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসতে শুরু করে৷ সাদত স্মৃতি পল্লীতে প্রথমে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার পর শিক্ষার্থীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়৷ স্বাস্থ্যসম্মতভাবে দূরত্ব বজায় রেখে ক্লাস নেওয়া হয়েছে৷ ক্লাসে সার্বক্ষণিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাস্ক পড়েই ক্লাস করেছে৷ নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দড়িহাইরমারা গ্রামের প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের শিশুদের মানুষিক বিকাশের জন্য সাদত স্মৃতি পল্লীতে স্থাপন করা হয় শিশু-বিকাশ কেন্দ্র৷ প্রতি বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার চলে শিশু-বিকাশের শিক্ষা কার্যক্রম৷ প্রথম দিনের ক্লাসে শিশুদের গানের ক্লাসের পাশাপাশি একজন ধর্মীয় শিক্ষক শিশুদের আদব-কায়দা, বড়দের সম্মান করা ও ধর্ম বিষয়ক শিক্ষা প্রদান করেন৷

শিশু-বিকাশের শিক্ষার্থী অনার বাবা মানিক চন্দ্র দাস (৪১) বলেন, ‘আমার তিন মাইয়া আমনেরার (আপনাদের) কেন্দ্র যায়৷ নাচ,গান, ছবি আঁকাতে হগল বালাই পুরস্কার পায়৷ প্রায় দেড় বছর ধইরা পজেড বন্ধ থাহায় হেরার নাচ, গান, আহা-আহির সুযোগ বন্ধ ছিল৷ এত দিন বাড়ির মইধ্যে খালি মোবাইল লইয়া কাড়াকাড়ি করছে। অহনে আবার পজেট খুইল্লা দেওয়ায় এলাকার হগল বাচ্চারার লাইগ্গা বালা অইছে৷’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রজেক্ট খোলা থাকলে আমাদের জন্যই বালা৷ ডাক্তার দেহানের লাগি নরসুন্দি (নরসিংদী) যাওন লাগে না৷ মাগনা ওষুধও পাই।’

সাদত স্মৃতি পল্লী প্রকল্পটি এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদের ব্যক্তিগত আর্থিক সহায়তায় পরিচালনা করে প্রথম আলো ট্রাস্ট।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন