বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আটোয়ারীর তোড়িয়া ইউনিয়নের নিতুপাড়া এলাকা থেকে এসেছিলেন ষাটোর্ধ্ব ইমামী বেগম। তিনি বলেন, ‘জারে কম্বল দিয়ে খুপে (খুব) উপকার করলেন, বাপু। দিনের বেলা কুনিক (অল্প) রোদ উঠিলেও রাইতোত শীল শীল বাতাস খানোত হাত-পাওলা ককড়া হয় আসেছে, ঘরের টাটির (বেড়া) ফাঁক দিয়ে বাতাস ঢুকেচে, এইবার মোক কেহ (কেউ) কম্বল দেয়নি, তোমরায় পরথম দিলেন।’

আটোয়ারীর আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের রাখালদেবী এলাকার আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘মুই তোমহার তানে দুয়া করিম, বাপু। কম্বলখান পায়া এলা শান্তিতে ঘুমাবা পারিম।’

কম্বল বিতরণের সময় আটোয়ারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর, আটোয়ারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দুলাল উদ্দিন, আটোয়ারী মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল কুদ্দুস, বলরামপুর আদর্শ মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক আরিফ হোসেন চৌধুরী, প্রথম আলোর পঞ্চগড় প্রতিনিধি রাজিউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলে বন্ধুসভার সদস্যরা পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশন, পঞ্চগড় শহরের ডোকরোপাড়া, রামের ডাঙ্গা, সদর উপজেলার চেকরমারী ও জেলা শহরের ফুলতলা এলাকায় গরিব ও দুস্থ মানুষের বাড়িতে গিয়ে আরও ৫০টি কম্বল বিতরণ করেন।

ত্রাণ তহবিল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন