খুশি জানান, বাবা মায়ের বয়স হয়ে গেছে। আর ভাইবোনেরা সংসারের দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। খুশির বড় ভাই একটি নিজের ওয়ার্কশপ দিয়েছেন আর ছোট ভাই ঢাকায় একটি চাকরি করছেন। ব্যবসায়ী স্বামী আর ৯ বছরের সন্তানকে নিয়ে এখন খুশি বেশ আনন্দেই দিন কাটাচ্ছেন।

প্রথম আলো ট্রাস্ট সম্পর্কে বলতে গিয়ে খুশি খাতুন বলেন, 'প্রথম আলো ট্রাস্ট না থাকলে আজকে আমার এই পর্যন্ত আসা হতো না। সকল অদম্য মেধাবীদের পক্ষ থেকেই ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমাদের জীবনে প্রথম আলো ট্রাস্ট আলোর দিশা নিয়ে এসেছে। আমি চাই প্রথম আলো ট্রাস্ট যেন সব সময়ে অদম্য মেধাবীদের পাশে থাকে।'

অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন