প্রথম আলোর এই অবদান কখনো ভুলতে পারব না। সবশেষে একটা কথায় বলতে চাই প্রথম আলো চিরজীবী হোক।

আমার জন্মের তিন মাসের মধ্যেই আমার বাবা ইন্তেকাল করেন। আমার মা জীবিকার তাগিদে আমার বয়স যখন নয় মাস, তখন ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করতে যায়। আমি অনেক কষ্ট করে মামার বাড়িতে বড় হয়েছি। আমি পিইসি, জেএসসি, এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাই। কিন্তু আমি এসএসসি পরীক্ষার পরে কলেজে ভর্তি হব, এমন সামর্থ্য আমার পরিবারের ছিল না। তখনই আশার আলোর মতো পথ দেখায় প্রথম আলো তথা প্রথম আলোর রিপোর্টার।

আমার অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে আমাকে প্রথম আলো ট্রাস্টের অদম্য মেধাবী শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করে দেয়। এ জন্য প্রথম আলোর কাছে আমি সারা জীবন কৃতজ্ঞ থাকব। তারা অধ্যাপক ডা. শিরীন আক্তার ম্যাডামের মাধ্যমে আমাকে এইচএসসি পর্যায়ে দুই বছর শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করে দেন। এই বৃত্তিটা না হলে হয়তো আমার পড়াশোনাই হতো না।

আমি এসএসসি পরীক্ষার পরে কলেজে ভর্তি হব, এমন সামর্থ্য আমার পরিবারের ছিল না। তখনই আশার আলোর মতো পথ দেখায় প্রথম আলো তথা প্রথম আলোর রিপোর্টার।

যাই হোক আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ পাই এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। প্রথম আলোর এই অবদান কখনো ভুলতে পারব না। সবশেষে একটা কথায় বলতে চাই প্রথম আলো চিরজীবী হোক।