default-image

প্রমা রানীর বাবা অরুণ তালুকদার ফেরি করে সবজি বিক্রি করেন। এতে যা আয় হয় তাতে সংসার চলে না। মা নীলিমা তালুকদার গৃহিণী। দুই ভাই-দুই বোনের মধ্যে প্রমা তৃতীয়। অভাবের সংসারে টানাপোড়েন লেগেই থাকে। তার ওপর রয়েছে আরও তিন ভাই-বোনের লেখাপড়ার খরচ। তাই এসএসসি পর্যন্ত অন্যদের পড়িয়ে তাঁর নিজের পড়ার খরচ জোগাড় করেছেন। পরে তাঁর অদম্য ইচ্ছা শক্তি ও পারিবারিক অবস্থা বিবেচনায় এনে প্রথম আলো ট্রাস্টের অদম্য মেধাবী শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। এই শিক্ষাবৃত্তির সহযোগিতায় এইচএসসি পর্যায়ে পড়াশোনা করেন। এখন এমবিবিএস পর্যায়ে পাঁচ বছর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য পাবেন ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্ট অদম্য মেধাবী শিক্ষাবৃত্তি।

default-image

প্রমা রানী জানান, ‘চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করব। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াব। আর আমাকে এই পর্যন্ত আসতে পাশে থাকার জন্য প্রথম আলো ট্রাস্টকে অনেক ধন্যবাদ।’

অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন