শফি কামাল চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্র ও পৌর এলাকার আজাইপুর (আবুরাজপাড়া) মহল্লার বাসিন্দা। তিনি বুয়েটে নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।

শফি কামালের মা নূর মহল বেগম বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই ছেলে আমার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখত। কাগজ কেটে বাড়ি বানাত। উড়োজাহাজ দেখলেই দৌড়ে ঘর থেকে বের হতো। বলত বড় হয়ে আমি ইঞ্জিনিয়ার হব। ওর ছোটবেলার স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় জীবনে যত দুঃখ-কষ্ট ছিল সব ভুলে গেছি। শত অভাব-অনটনেও মানুষের কাছে কিছু চাইতে পারিনি।কিছু বলতে পারিনি। কিন্তু তার পরেও মনোয়ারা ম্যাডাম অনেক কিছু করছে। তাঁর মাধ্যমেই ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্টের অদম্য মেধাবীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঢাকায় গেছি ছেলেকে নিয়ে। মন ভরে গেছে গরিব মানুষের সব ছেলেমেয়েদের দেখে, তাদের কথা শুনে। মন থেকে থেকে দোয়া করি প্রথম আলো ট্রাস্টের জন্য।

জীবনসংগ্রামের স্মৃতিচারণা করে শফি কামাল বলেন, ‘জীবনে বাবা থেকেও নেই। তাঁর আলাদা সংসার রয়েছে। তাঁর কাছ থেকে লেখাপড়া বা ভরণপোষণের কোনো সহায়তা পাইনি। মা সামলেছেন সব। আর মায়ের মতো ভূমিকা পালন করেছেন আমার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (শংকরবাটী পোল্লাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) শিক্ষকেরা। বিশেষ করে হেড ম্যাডাম মনোয়ারা খাতুন। তিনি আমার জীবনে বটবৃক্ষের ছায়ার মতো। ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্টকেও ধন্যবাদ আমার পাশে থাকার জন্য।

অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন