পরে পালক বাবার পরিচিত এক ব্যক্তির সহযোগিতায় ঢাকার নটরডেম কলেজে ভর্তি হন ফারুক। তিনি জানানেল, ‘ভর্তি হওয়ার পর পড়ালেখার খরচ ও চলার মত অবস্থা ছিল না। পরে প্রথম আলো ট্রাস্টে শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন করি। আমার সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে বৃত্তির ব্যবস্থা হয়। এই সহায়তা না পেলে আমার পড়াশোনা হতো না। এটা কখনো ভুলতে পারব না। এ সহায়তা পেয়ে পরে এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ পেলাম। আনন্দ অশ্রুতে চোখ আমার ভিজে যায়। আমার এই ধারাবাহিক সফলতায় স্নাতক (সম্মান) পর্যায়েও বৃত্তি অব্যাহত রাখে প্রথম আলো ট্রাস্ট ‘

নতুন অদম্য দের জন্য কি উপদেশ দেবেন জানতে চাইলে জানান, ‘ পরিবারের অবস্থা তো বললাম। এমনও হয়েছে, আমি ১৫ দিন মসজিদে থেকে পড়াশোনা করেছি। সুতরাং ইচ্ছা থাকলে অজয়কে জয় করা সম্ভব। অনেক বাধাকে অতিক্রম করা সম্ভব। ছোটদের বলব, সততা থাকতে হবে ও সৎ হতে হবে এবং কোনো কিছুতেই ভেঙ্গে পড়া যাবে না। বাধাকে শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে।’

এখন কি স্বপ্ন দেখেন জানতে চাইলে ফারুক জানান, এখন আমি যেটা স্বপ্নে দেখি তাহলো ভবিষ্যতে বিসিএস দিয়ে প্রশাসন ক্যাডারভুক্ত হওয়া। সততার সহিত কাজ করে নিজ পরিবার, সমাজ এবং দেশের সেবা করব। প্রথম আলো আমাকে যেটা শিখিয়েছে - আমার আশেপাশে যারা আমার মত থাকবে তাদের সহায়তা করব। দরিদ্র মেধাবীদের মেধাকে লালন করার জন্য প্রথম আলো ট্রাস্ট ও ব্র্যাক ব্যাংকের কাছে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’ পরিশেষ সবাইকে ধন্যবাদ ও দোয়া চেয়ে বিদায় নেন ফারুক।

অনুষ্ঠানটি একযোগে প্রচার করা হয় প্রথম আলোর ইউটিউব চ্যানেল, প্রথম আলোর ফেসবুক, প্রথম আলো এবং প্রথম আলো ট্রাস্টের ফেসবুক থেকে। সঞ্চালনায় ছিলেন প্রথম আলো ট্রাস্টের সমন্বয়ক মাহবুবা সুলতানা।