বিসিএস ক্যাডার, নয়তো গুগলের কর্মী হব : অঞ্জলি রানী ভৌমিক
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছানো পরিবারের প্রথম নারী, যাঁরা আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে পারছেন না, তাঁদের অনুপ্রাণিত করার জন্য দেওয়া হয় আইডিএলসি-প্রথম আলো ট্রাস্টের ‘অদ্বিতীয়া’ বৃত্তি। এ বছর এই শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছেন ১০ জন। সবাই মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার চা-শ্রমিকের সন্তান। তাদেরই একজন অঞ্জলি রানী ভৌমিক।
অঞ্জলি রানী ভৌমিক বলেন, স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হব। কিন্তু এইচএসসি পাসের পর ভর্তি কোচিং করার মতো পারিবারিক অবস্থা আমাদের ছিল না। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইভায় যেদিন বাদ পড়লাম, মনে হয়েছিল জীবনটা শেষ হয়ে গেল। দৈনিক ১২০ টাকা মজুরি পেয়েও আমার মা-বাবা ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা করাতে কখনো কার্পণ্য করেননি। এখন আমার ভাই টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানে পড়ে, বোন পড়ে দশম শ্রেণিতে। মা-বাবার অনুপ্রেরণাতেই আমি এইউডব্লিউতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। ভবিষ্যতে বিসিএস ক্যাডার হতে চাই, নয়তো গুগলে চাকরি করতে চাই।
প্রথম আলো ট্রাস্ট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসির উদ্যোগে চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের এই শিক্ষার্থীরা অদ্বিতীয়া বৃত্তি পাবেন। এই শিক্ষার্থীদের আবাসন, টিউশন ফি সুবিধাসহ নানা সুযোগ দেয় এইউডব্লিউ।