আমি আমার বাড়ির প্রথম স্নাতক সম্পন্নকারী নারী হিসেবে নয় বরং একজন মানুষ হিসেবে আমার যে পরিবর্তনগুলো হয়েছে সেটাকে পরিবারের মানুষ নোটিশ করেন- এটাই আমার প্রাপ্তি।

সিনথিয়া জানালেন, ‘জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলা, নবায়নযোগ্য এনার্জি ও হাইড্রো-এনার্জির কথা যদি বলি, আমার ভুটানের সহপাঠী ক্লাসে তার দেশের এনার্জি সেক্টর নিয়ে যখন কথা বলতেন তখন দেখতাম ভুটান নবায়নযোগ্য হাইড্রো-এনার্জিতে অনেক এগিয়ে আছে। সুতরাং বাংলাদেশেও তা আরও হতে পারে। যেমন কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখান থেকেও নবায়নযোগ্য এনার্জির ওপর আগ্রহ তৈরি হয়।’

বর্তমান অদ্বিতীয়াদের জন্য পরামর্শও দেন তিনি। সিনথিয়া বলেন, ‘এইউডব্লিউ খুবই ওয়েলকামিং একটা জায়গা। এখানে প্রচুর ‍রিসোর্স আছে। এগুলো ব্যবহার করে নিজেকে দক্ষ করতে হবে। কখনো হতাশ হওয়া যাবে না। যদি কখনো কোন বিষয়ে খটকা লাগে, সিনিয়র থেকে শুরু করে প্রফেসরের কাছে বলতে হবে। দেখবে সব ঠিক হয়ে গেছে। এখানে সবাই অনেক আন্তরিক।’

default-image

বাবা-মার অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে সিনথিয়া বলেন, ‘আমি আমার বাড়ির প্রথম স্নাতক সম্পন্নকারী নারী হিসেবে নয় বরং একজন মানুষ হিসেবে আমার যে পরিবর্তনগুলো হয়েছে সেটাকে তাঁরা নোটিশ করেন। বাড়ির কোনো বিষয়ে ডিসিশন নেওয়ার সময় আমাকে ডাকে, এটা আমাকে অনেক গর্বিত করে।’

অদ্বিতীয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন