পরামর্শ সভার অন্যতম আলোচক কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের আবাসিক মনোবিদ (রেসিডেন্ট সাইক্রিয়াট্রিস্ট) ডা. রাহেনুল ইসলাম বলেন, ‘কেউ যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১২ ঘণ্টা ইন্টারনেটে ডুবে থাকে, তবে বুঝতে হবে সে ইন্টারনেটে আকণ্ঠ ডুবে আছে, যাকে বলে ইন্টারনেট–আসক্তি। এর ফলাফল মাদকাসক্তির মতো ভয়াবহ। ইন্টারনেট–আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে চাইলে প্রথমে আমাদের সচেতন হতে হবে। ইন্টারনেট–আসক্তির ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে জানতে হবে। আর আমাদের শারীরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে। এর সব থেকে ভালো মাধ্যম প্রতিদিন এক থেকে দুই ঘণ্টা খেলাধুলায় যুক্ত থাকা।’

সভার অন্যতম আলোচক জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের খুব বেশি প্রয়োজন নেই। আমাদের এখানে সামাজিক বন্ধনের ঐতিহ্য রয়েছে। এর চর্চা বাড়াতে হবে। আমরা কখনো প্রযুক্তির দাস হতে পারি না। আমরা মানবিকতার জয়গান গাইব।’

ইন্টারনেটে আসক্ত হওয়ার কারণে তরুণেরা বাস্তবতা ভুলে যাচ্ছে—এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সরদার আতিক বলেন, ইন্টারনেটে যুক্ত হওয়াটা বর্তমানে খুব সহজ। ইন্টারনেট আসক্তির কারণে, মা–বাবাও তাঁদের সন্তানদের সময় কম দিচ্ছেন।

পরামর্শ সভাটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলো ট্রাস্টের সমন্বয়ক মাহবুবা সুলতানা।