এখানে তিনটি বিষয় খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। এগুলো হলো: সততা, স্বচ্ছতা ও সদিচ্ছা। তা ছাড়া এই পদ্ধতির মূলে কাজ করে একে অপরের প্রতি সহযোগিতার মনোভাব। এই পদ্ধতিতে কোনো পেশাজীবী, চিকিত্সক, কাউন্সিলিং, আবাসিক বন্দোবস্ত বা ক্লিনিকের ব্যবস্থা নেই। যারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক থেকে সুস্থ আছে, তারা নিজেদের অভিজ্ঞতার আলোকে অসুস্থ মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের সাহায্য করেন। কোনো কোনো গ্রুপ বা দল আছে বর্ষপূর্তিসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান করে থাকে।

মাদকাসক্তি একটি অসুস্থতা। অপ্রত্যাশিতভাবে বিভিন্ন কারণে যে কেউ মাদকাসক্ত হতে পারেন। চিকিত্সার ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যসহ সবাইকে এই অসুস্থতার বিশেষ বৈশিষ্ট্য গুরুত্বের সঙ্গে বুঝতে হবে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের একার পক্ষে এই অসুস্থতা থেকে বেরিয়ে আসা খুব কঠিন। সঠিক চিকিত্সা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তিকে পুনরায় সুস্থ জীবনধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তাই পারিবারিক ও সামাজিকভাবে ঘৃণা বা অবহেলা না করে, এদের সুস্থ হওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

মাদকবিরোধী আন্দোলন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন