‘রুটিন মেনে চললে কোনো কিছু মাত্রাতিরিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে’

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সরদার আতিক।

প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন অনলাইনে মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৫ সালের ২৫ মে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সরদার আতিক। তিনি ‘প্রযুক্তি আসক্তির ভয়াবহতা: অভিভাবকের সচেতনতা’—এই বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন। উক্ত আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে একটি বড় অজুহাত থাকে যে—স্কুল বা কলেজের মেসেজ আসবে, টিচারদের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে। এই কারণে তারা সারাক্ষণ অনলাইন থাকতে চায়। এক্ষেত্রে অভিভাবকদের কী করণীয়?

উত্তরে ডা. সরদার আতিক বলেন, ‘করোনার পর থেকে আমাদের জীবনে কোনো ‘টাইম বাউন্ডারি’ নেই। স্কুল-কলেজের মেসেজ যখন তখন আসছে, টিচাররা নক করছেন। এমনকি অনেক অভিভাবকও খুশি হন যদি দেখেন তাদের সন্তান রাত-দিন ব্যস্ত থাকছে। কিন্তু এটি রুটিনকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়। সুতরাং প্রত্যেকের জীবনে রুটিন মেনে চলা খুবই জরুরি। তাহলে দেখবেন যে, কোনো কিছু মাত্রাতিরিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে।’