পাঠাগার তৈরির বিষয়ে জানতে চাইলে গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালা প্রধান শিক্ষক মো. নূর আলম বলেন, ‘গুড়িহারী গ্রামের সন্তান মো. মাসুদ রানা এই উদ্যোগ নেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী শহরে বসবাস করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করা মো. মাসুদ রানা তাঁর নিজের গ্রামকে ভুলে যাননি। পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়া গ্রামটিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য পাঠগার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। তাঁর এই উদ্যোগে গ্রামের লোকজন নিজেরাই ঝাড় থেকে বাঁশ কেটে দিয়েছেন। স্বেচ্ছাশ্রমে মাটির ঘর তৈরি করেছেন। পাঠাগারের জমি দান করেছেন মাসুদ রানার নিকট আত্মীয় মো. সাইফুদ্দীন।'
পাঠাগারটির উদ্যোক্তা মাসুদ রানা বললেন, 'যখন পরিবারে, সমাজে মানুষ দিনে দিনে বন্ধুহীন হয়ে পড়েছে, সেই সময়ে ফারাজের মত একজন তরুণ নিজের জীবন দিয়ে বন্ধুত্বের মর্যাদা রক্ষা করলেন- একথা ভাবতে গেলেই আমার চোখে জল এসে যায়। তাঁকে মানুষের মধ্যে বাঁচিয়ে রাখার জন্য কী করা যায়, ভাবতে গিয়েই মাথায় এই পাঠাগার করার চিন্তা আসে। কারণ, ফরাজের আত্মদানের ঘটনাটা ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছিল আমায়।'
উল্লেখ্য, গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালাসহ সারা দেশে মোট ৬টি স্কুল পরিচালনা করছে প্রথম আলো ট্রাস্ট। সরকার বিনা মূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ করছে। সামিট গ্রুপের সহযোগিতায় স্কুলে বিনা মূল্যে পড়াসহ নানা ব্যবস্থা করেছে প্রথম আলো ট্রাস্ট।