আঞ্চলিক গণিত উৎসবে অংশ নিল বাবুডাইং আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থীরা

রাজশাহী আঞ্চলিক গণিত উৎসবে অংশ নিয়েছে প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত বাবুডাইং আলোর পাঠশালার ১০ শিক্ষার্থী।

ডাচবাংলা ব্যাংক-প্রথম আলো গণিত উৎসব এর রাজশাহী আঞ্চলিক গণিত উৎসবে অংশ নিল প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত বাবুডাইং আলোর পাঠশালার ১০ শিক্ষার্থী। শনিবার সকালে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। ‘গণিত শেখো, স্বপ্ন দেখো’ স্লোগানে আয়োজিত এ উৎসবে বাবুডাইং আলোর পাঠশালা থেকে প্রাথমিক বিভাগে তিনজন, নিম্ন মাধ্যমিক বিভাগে দুইজন ও মাধ্যমিক বিভাগে পাঁচজন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

এ উপলক্ষে সকাল সাতটায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার শেষপ্রান্তে অবস্থিত বাবুডাইং আলোর পাঠশালা প্রাঙ্গণ থেকে মাইক্রোবাসযোগে রওনা দেয় শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শংকর চন্দ্র দাস ও লুইশ মুর্মু, খন্ডকালীন শিক্ষক শাহনিনা প্রামাণিক। প্রায় ৬৫ কি.মি. অতিক্রম করে তারা এসে উপস্থিত হয় রাজশাহী নগরের শালবাগান এলাকার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে। উৎসবে রাজশাহী বিভাগের চারটি জেলা (রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও নাটোর) থেকে অংশ নেয় প্রায় এক হাজার খুদে গণিতবিদ। সকাল ৯টায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা।

জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভেন্যু প্রধান অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন সরকার। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের পতাকা উত্তোলন করেন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ ও বুয়েটের সাবেক শিক্ষক এবং টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টের সাবেক সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হামিদ। আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের পতাকা উত্তোলন করেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রাজশাহী শাখার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার নির্মল বৈষ্ণব। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জয়দীপ সুমন সরকার। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা এক ঘণ্টাব্যাপী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তারা মাঠ থেকে লাইন ধরে পরীক্ষাকেন্দ্রে যায়। শিক্ষার্থীদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে রাজশাহী বন্ধুসভার সদস্যরা।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় গণিত উৎসবের আয়োজন করছে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি। রাজশাহী আঞ্চলিক পর্যায়ে চারটি ক্যাটাগরিতে প্রাইমারি (তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি বা সমমান), জুনিয়র (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি বা সমমান), সেকেন্ডারি (নবম-দশম শ্রেণি) এবং হায়ার সেকেন্ডারি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) ও সমমানের প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিল। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে ৯৪৬ শিক্ষার্থীকে নির্বাচিত করা হয়। উৎসব থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পরবর্তী সময় জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে।