গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালায় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালায় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, প্রধান শিক্ষক, সকল শিক্ষক ও কর্মচারী, গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সকল শিক্ষার্থী এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বালিকারা দৌড়, সুঁচে সুতা পরানো, মার্বেল দৌড়, বুদ্ধির খেলা, জলে ডাঙ্গা, শব্দ গঠন, অঙ্ক দৌড়, দড়ি খেলা এবং আর্চারি খেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়।

প্রথম অধিবেশন শুরু হয় সকাল ৮:০০ টায় জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ম্যানেজিং কমিটি ও প্রধান শিক্ষক রাজিত দাস। সকাল ৮:২০ মিনিটে খেলাধুলা উদ্বোধন করা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য বালক ও বালিকা—উভয় পক্ষকে ক, খ, গ ও ঘ চারটি গ্রুপে ভাগ করে খেলা পরিচালিত হয়। বালকেরা দৌড়, দীর্ঘ লম্ফ, উচ্চ লম্ফ, বুদ্ধির খেলা, বস্তা দৌড়, মোরগ লড়াই ও অঙ্ক দৌড় খেলায় অংশগ্রহণ করে। বালিকারা দৌড়, সুঁচে সুতা পরানো, মার্বেল দৌড়, বুদ্ধির খেলা, জলে ডাঙ্গা, শব্দ গঠন, অঙ্ক দৌড়, দড়ি খেলা এবং আর্চারি খেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়। বহিরাগত বালক ও বালিকাদের জন্যও প্রতিযোগিতা ছিল, যার মধ্যে বহিরাগত বালকদের জন্য ছিল ১২০০ মিটার দৌড়।

বালকেরা দৌড়, দীর্ঘ লম্ফ, উচ্চ লম্ফ, বুদ্ধির খেলা, বস্তা দৌড়, মোরগ লড়াই ও অঙ্ক দৌড় খেলায় অংশগ্রহণ করে।

সকাল ১০টায় খেলাধুলার মাঝে বিরতি দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নাস্তা বিতরণ করা হয়। প্রথম অধিবেশন শেষ হয় দুপুর ১২:৫০ মিনিটে। দীর্ঘ বিরতির পর বেলা ৩:০০ টায় দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়। দ্বিতীয় অধিবেশনে ছিল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা যেমনবহিরাগত মহিলাদের বল পাচার, বয়স্কদের হাড়িভাঙ্গা খেলা এবং কমন বালকদের জন্য আকর্ষণীয় তৈলাক্ত কলাগাছ বেয়ে উপরে ওঠার প্রতিযোগিতা। এছাড়া বিবাহিত বনাম অবিবাহিত পুরুষদের রশি টানা খেলা, শিক্ষার্থীদের যেমন খুশি তেমন সাজো এবং দেশের গানে নৃত্য প্রদর্শন করা হয়।

ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও অংশগ্রহণ করে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ আলফা, বিটা, গামা ও থিটা—এই চারটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। শিক্ষকদের সহযোগিতা করেন স্বেচ্ছাসেবক প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। শেষে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রতিটি খেলায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, প্রধান শিক্ষক এবং গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।