বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রথম আলো চর আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমান বলেন, ‘আলোর পাঠশালার পক্ষ থেকে ড্রাম কিনে চারকোনা করে বেঁধে ওপরে বাঁশের ছাউনি দিয়ে তৈরি করা হয় ভেলা। আর এ কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে আলোর পাঠশালার একদল স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থী। এরপর বিলের দু'পাশে দুটি গাছের সঙ্গে রশি বেঁধে দেওয়া হয়। ভেলায় চড়ে এই রশি টেনে টেনে পারাপার হয় লোকজন। ২০১৬ সাল থেকে আলোর পাঠশালার শিক্ষকগণ এই বিলের ওপর কখনো ভেলা কখনো বাঁশের সাঁকো তৈরি করে মানুষজনের পারাপারের ব্যবস্থা করে দিয়ে আসছে। এ ছাড়া আলোর পাঠশালার স্বেচ্ছাসেবী দল রাস্তাঘাটের ছোট খাটো সংস্কারকাজ ও অন্যান্য সেবামূলক কাজে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে থাকে। যা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।’

অত্র স্কুলের সভাপতি আব্দুস সোবহান বলেন, ‘শিক্ষকদের এমন উদ্যোগে এলাকাবাসী অত্যন্ত খুশি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এমন কার্যক্রম দেখে এলাকাবাসী ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবীরা সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে অনুপ্রাণিত হবে।’

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে বহুদিন শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি এ রকম অবহেলিত কয়েকটি এলাকায় শিক্ষার আলো পৌঁছে দিচ্ছে প্রথম আলো ট্রাস্ট। সামিট গ্রুপের আর্থিক সহায়তায় প্রথম আলো ট্রাস্ট প্রথম আলো চর পাঠশালাসহ ৬টি স্কুল পরিচালনা করছে।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন