default-image

আলিমের বাবা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুলত থ্যাকে সাইকেল পাওয়া যাবে হামি ভাবিনি। তা ছাড়া হামার সাইকেল কিনে দেওয়ারও সামর্থ্য নাই। সাইকেল পাওয়ার পর হামি খুব খুশি হছি, হামার বেটাও খুব খুশি হছে। হামার ব্যাটার সাইকেল চালানোর শখ স্কুল পূরণ করে দিছে। যা হামি পারিনি। স্কুল থ্যাকে আরও মেলাই উপহার পাছি, করোনার সময় ত্রাণ, ঈদের উপহার, মাশারি আরও মেলাই কিছু।’

গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক নুর আলম বলেন, ‘এই স্কুলের সাফল্যে এই গ্রামটি এখন উপজেলাতে পরিচিতি লাভ করেছে। ঢাকার কিছু মহান ব্যক্তি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিদ্যালয়ে ২৮টি সাইকেল প্রদান করেন। এই সাইকেলগুলো বিভিন্ন ক্যাটাগরিতেে শিক্ষার্থীদের প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে সাইকেল নিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। সাইকেল প্রদানের ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পড়াশোনায় ও মনোযোগী হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের ফলাফল এখন অনেক ভালো হচ্ছে।’

মেয়েদের সাইকেলে করে বিদ্যালয়ে যাতায়াত প্রসঙ্গে গুড়িহারী গ্রামের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. শাফিউল ইসলাম বলেন, ‘আগে আমি কখনো মেয়েদের সাইকেল চালাতে দেখিনি। আলোর পাঠশালা হওয়ার পর দেখলাম মেয়েরাও সাইকেল চালাচ্ছে। স্কুল ছুটির পর যখন ছাত্রীরা এক সঙ্গে দল বেঁধে সাইকেল নিয়ে যায় তখন দেখতে খুব ভালো লাগে।’

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে বহুদিন শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি এ রকম অবহেলিত কয়েকটি এলাকায় শিক্ষার আলো পৌঁছে দিচ্ছে প্রথম আলো ট্রাস্ট। সামিট গ্রুপের আর্থিক সহায়তায় প্রথম আলো গুড়িহারী কামদেবপুর আলোর পাঠশালাসহ ৬টি স্কুল পরিচালনা করছে।

আলোর পাঠশালা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন