বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মর্জিনার মা চানমুনি কিস্কু বলেন,‘গত বছর মনে করিছিনু মর্জিনার বিয়া দিমু। মর্জিনা বিয়া করবে না। বুলোছে লেখাপড়া করবে, আর ফুটবল খেলবে। এখন শুনেছি মর্জিনা ফুটবল ভালোই খেলোছে। আর মর্জিনার পড়াতে কোন পয়সাও খরচ হয় না। উল্টা স্কুলত থ্যাকেই মেলা উপহার পায়। চাল, ডাল, চিনি ,সেমাই, মশারি, পোশাক, করোনার সময় ত্রাণ আবার মর্জিনার স্কুলত যাওয়ার জন্য সাইকেল, আরো মেলাই কিছু।’

খেলাধুলার বিষয়ে মর্জিনা বলে, ‘যখন ক্লাস সিক্স ভর্তি হই, তখন দেখি স্কুলের বড় আপারা ফুটবল খেলছে। আমারও খেলার ইচ্ছে হয়। হেড স্যার আমাকে খেলার সুযোগ করে দেন এবং কিভাবে ভালো খেলা যায় তার কৌশল শেখান। আমি মনোযোগ সহকারে স্যারের কথা অনুসারে খেলা শুরু করি। করোনার জন্য প্রায় দেড় বছর খেলার অনুশীলন বন্ধ আছে। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে পড়ালেখার পাশাপাশি আরও ভালো ফুটবল খেলতে পারব।’

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে বহুদিন শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি এ রকম অবহেলিত কয়েকটি এলাকায় শিক্ষার আলো পৌঁছে দিচ্ছে প্রথম আলো ট্রাস্ট। সামিট গ্রুপের আর্থিক সহায়তায় প্রথম আলো ট্রাস্ট গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালাসহ ৬টি স্কুল পরিচালনা করছে।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন