ছোট বয়সেই মা মারা যায় ফজিলার। দুই বোনের মধ্যে ফজিলা বড়। বাবা ফজলার রহমান দ্বিতীয় বিয়ে করেন। মেয়ের পড়ালেখার বিষয়ে আগ্রহী নন বাবা। কিন্তু ফজিলা কোনোভাবেই বিয়ে করতে রাজি নন। তাঁর এক কথা, পড়াশোনা করবেন। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। শিক্ষকরাও দায়িত্ব নিয়ে তার বাবা-মা কে বোঝানোর চেষ্টা করেন।

ফজিলা খাতুন বলেন, ‘পড়ালেখা করব, পরীক্ষা দেব, ভবিষ্যতে অনেক বড় মানুষ হব।’ এত প্রতিকূলতাকে পেরিয়ে সে প্রথম আলো চর আলোর পাঠশালা থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে জিপিএ-৪ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।

আলোর পাঠশালা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন