বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

রেজিনা খাতুন বলেন, ‘আমি সব সময় সাহস রেখেছি নিজের প্রতি। আমার প্রথম থেকেই ইচ্ছে ছিল পড়ালেখা শিখে শিক্ষকতা করব। কিন্তু বিভিন্ন রকম পরিস্থিতির কারণে আমার বিয়ের পর পড়ালেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আমার স্বামীর অক্লান্ত পরিশ্রম এবং সহযোগিতার মাধ্যমে নিজের পড়ালেখা চালিয়ে যেতে সক্ষম হই।’

করোনাকালে তিনি সহ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের বাসায় গিয়ে পড়া দেখিয়ে দিয়ে এসেছেন। এতে করে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকের পরিশ্রমের ফলে রাজশাহী আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষাতে শতভাগ পাস করে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি এ রকম অবহেলিত কয়েকটি এলাকায় শিক্ষার আলো পৌঁছে দিচ্ছে প্রথম আলো ট্রাস্ট। সামিট গ্রুপের আর্থিক সহায়তায় প্রথম আলো ট্রাস্ট বর্তমানে ৬টি স্কুল পরিচালনা করছে।

আলোর পাঠশালা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন