বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রথম আলো চরের বাসিন্দা আব্দুস সোবহান ব্যাপারী বলেন, ‘কিছু দিন আগেও এই চরের বাচ্চাদের ক্রিকেট খেলা সম্পর্কে ধারণা ছিল না কিন্তু এই স্কুলের মাধ্যমেই তারা এখন এই খেলায় মেতেছেন। গ্রামে মাঠ নাই তারপরও স্কুলের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান স্কুলের এই ছোট মাঠেই ফুটবল ও ক্রিকেট দলের প্র্যাকটিস করান। খেলাধুলা দেখে আমাদের বিকেল বেলার অবসর সময়টা ভালই কেটে যায়।’

আব্দুস সোবহান ব্যাপারী আরও বলেন, ‘যেকোনো উৎসব বা বিভিন্ন জাতীয় দিবস বিশেষ করে স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস বা ঈদে ‘গ্রাম একাদশ' ও 'প্রথম আলো চর আলোর পাঠশালা ফুটবল বা ক্রিকেট একাদশ এর মধ্যে খেলাধুলার আয়োজন করে থাকে। গ্রামবাসী এই খেলাকে খুবই আনন্দের সাথে উপভোগ করে। শুধু তাই নয় প্রতি বছর আন্তঃ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। স্কুলের ক্লাস শেষে আতাউর রহমানের পরিচালনায় ছাত্রীদের ক্রিকেট খেলার প্র্যাকটিস করাতে দেখি। এভাবে এই খেলাধুলার মাধ্যমে ও প্রথম আলো স্কুলের মাধ্যমে এই চরের পরিচিতিও খুব বেড়ে গেছে আশপাশের বিভিন্ন চরে। বিভিন্ন টুর্নামেন্টের অংশগ্রহণ করে সুনাম অর্জন করেছে এই আলোর পাঠশালার ফুটবল ও ক্রিকেট দল। ২০১৮ সালে আন্তঃচর ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলাধুলা এবং পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতি বছর শিক্ষা সফরের আয়োজন করেন প্রধান শিক্ষক। শিক্ষা সফরের মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রীরা বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান গুলো দেখার সুযোগ পায়।'

default-image

আতাউর রহমান বলেন, 'আমি শিক্ষকতা পেশা খুবই ভালোবাসি। এই প্রত্যন্ত এলাকার বাচ্চাদের সুনাগরিক হিসাবে তৈরি করার কাজে থাকতে পেরে আমি গৌরবান্বিত। আমি এখন স্বপ্ন দেখি তাদেরকে নিয়ে। নিজ এলাকার ছেলেমেয়েদের মাঝে নিজের অর্জিত জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিয়ে তাদের শিক্ষিত করার লক্ষে শিক্ষকতা পেশাকে বেছে নিয়েছি। আলোর পাঠশালাতে প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করার পর থেকে পিএসসি এবং জে.এস.সি পরীক্ষায় প্রথম আলো চর আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাশ করে আসছে।' বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি এ রকম অবহেলিত কয়েকটি এলাকায় শিক্ষার আলো পৌঁছে দিচ্ছে প্রথম আলো ট্রাস্ট। সামিট গ্রুপের আর্থিক সহায়তায় প্রথম আলো ট্রাস্ট বর্তমানে ৬টি স্কুল পরিচালনা করছে।

আলোর পাঠশালা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন