বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্যামল মার্ডী বলেন, ‘বছরের প্রথম দিনে নতুন বই নিতে এসে উৎসবে অংশ নিতে পারতাম। অনেক আনন্দ হত। কিন্তু এবার এ উৎসব না হওয়ায় শ্রেণিকক্ষে বসেই বই নিতে হয়। তবুও নতুন বইয়ের ঘ্রাণ নিতে পেরে অনেক আনন্দ লাগছে।’

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মোসা. তাহারিমা বলেন, ‘বই উৎসবে বই নিতে এসে অনেক আনন্দ হত। বই নিয়ে আনন্দে লাফিয়ে উঠতাম। যেতে যেতে রাস্তার ধারে গোল হয়ে বসে পড়ে নতুন বইয়ের ছবি দেখতাম। গন্ধ শুঁকতাম। আজকে উৎসব না হলেও নতুন বই পাওয়ার আনন্দ আগের মতোই আছে।’

default-image

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূর বলেন, ‘নতুন বই পেয়ে শিক্ষার্থীদের আনন্দের সীমা থাকে না। বই পেয়ে একেতো উচ্ছ্বসিত হয়। খুশি মনে হই-হুল্লোড় করতে করতে বাড়ি ফিরে শিক্ষার্থীরা। তাঁদের আনন্দ দেখে আমাদের মনটাও প্রশান্তিতে ভরে ওঠে।’

বই বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজারুদ্দিন, অভিভাবক কার্তিক কোল টুডু, সহকারী প্রধান শিক্ষক শংকর চন্দ্র দাস, লুইশ মুরমুসহ সকল সহকারী শিক্ষকবৃন্দ।

লেখক: প্রধান শিক্ষক, বাবুডাইং আলোর পাঠশালা, বাবুডাইং, গোদাগাড়ী, রাজশাহী।

আলোর পাঠশালা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন