বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিভাবক সমাবেশে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ক্ষেত্রে গুরুত্ব প্রদানের জন্য অভিভাবকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ থেকে রক্ষা করতে হবে। খারাপ কোনো মনমানসিকতা নিয়ে যাতে ফেসবুক, ইন্টারনেট, ইউটিউবের দিকে ঝুকে না পড়ে। তাই এসবের কুফল সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দিতে হবে। দেশ গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মকে সঠিক শিক্ষা দিতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা পিছিয়ে যাব। শিক্ষার্থীরা কী করে, কোথায় যায়, সে দিকটি দেখভাল করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৪ সালে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া গ্রামের এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। স্কুলটি আর্থিক সমস্যার কারণে প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে প্রথম আলো ট্রাস্ট এগিয়ে এসে স্কুলটির হাল ধরে। এর কারণে এলাকার শিশু শিক্ষার্থীরা শিক্ষাবঞ্চিত হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। ২০১৯ সালে যখন প্রথম আলো ট্রাস্ট স্কুলটির দায়িত্ব নেয় তখন শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬৪ জন। ২০২১ সালে ১৯৯ জন শিক্ষার্থী ছিল। চলতি বছরের ভর্তি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বর্তমানে পাঁচজন শিক্ষক পাঠদান করছেন। সামিট গ্রুপের সহায়তায় বিদ্যালয়টি পরিচালনা করছে প্রথম আলো ট্রাস্ট।

আলোর পাঠশালা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন