default-image

পড়ালেখার পাশাপাশি রবিউল খেলাধুলায়ও সম্পৃক্ত ছিলেন। ফুটবল এবং ক্রিকেট উভয় খেলায় তার পারদর্শিতা লক্ষ্য করা যায়। তার অসাধারণ নৈপুণ্যে অনেক খেলায় প্রথম আলো চর আলোর পাঠশালা সুনাম কুড়িয়েছে। এভাবে চলতে থাকে, কিন্তু করোনা মহামারি তার জীবন চলার গতি রোধ হয়ে পড়ে। তবু তিনি দমে যাননি। করোনা মহামারির কারণে জেএসসি পরীক্ষা না হওয়ায় অটো পাস করে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন রবিউল। আলোর পাঠশালা থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া যায় না, তাই কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ যোগেন্দ্রনাথ ধিরেন্দ্রনাথ একাডেমিতে নবম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন রবিউল । প্রথম স্থান অধিকার করে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। দশম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেবেন রবিউল।

রবিউল ইসলামের বাবা বলেন, ‘হামার ছাওয়ালডা এত্তো মেধাবী, আগোত বুঝবার পারি নাই। ছাওয়ালডারে আর কামলা বানামু না।’ প্রথম আলো চর আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান বলেন, ‘রবিউল ছেলেটা অত্যান্ত মেধাবী, সমায়ানুবর্তী এবং প্রাণচঞ্চল। সে পাঠশালায় আমাদের সকলের আস্থা অর্জন করেছে। আমরা সব সময় তার খোঁজ খবর নেই। তার পড়ালেখায় যেকোনো সহযোগিতা দানে আমরা প্রস্তুত।

রবিউল ইসলাম বলেন, ‘পড়ালেখা শেষে আমি দেশের সেবা করতে চাই। দুর্গম চরাঞ্চল, অসহায় মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াতে চাই।’

আলোর পাঠশালা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন