এ ছাড়া অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর জন্য দুই ভাগে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। কুইজে মানসিক স্বাস্থ্য, প্যারেন্টিং ও মাদকাসক্তির ওপর প্রশ্ন থাকে। কুইজে বিজয়ীদের প্রত্যেককে  প্রথম আলোর ম্যাগাজিন দেওয়া হয়। যারা কুইজে ৮ এর ওপর নম্বর পেয়েছে তারা স্টলে থাকা ডার্ট বোর্ডে ৬ জন লেখকের নামের ওপর পিন নিক্ষেপ করার সুযোগ পেয়েছে। যাঁর নামের ওপর পিন আটকে যাবে তাঁর শুভেচ্ছাসহ বই কুইজ বিজয়ী পাঠককে দেওয়া হয়।

উপহার দেওয়া বইগুলো হলো: সাজ্জাদ শরিফের বীরের এ রক্তস্রোত; আনিসুল হকের সফল যদি হতে চাও, তিন কিশোরের দুঃসাহসিক অভিযান ও একুশের ভাষা শহীদ;  আব্দুল কাইয়ুমের আরও গণিত আরও স্মার্ট; মুনির হাসানের যারা গণিত ভালোবাসে ও ওরা ১১ বাংলার বাঙ্গালী; মোহিত কামালের সুস্মিতার বাড়ি ফেরা ও চোরাগলি; আহমেদ হেলালের জিপিএ-ফাইভের চেয়েও জরুরি।

অংশগ্রহণকারী একটি টেবিল টেনিস ব্যাটে বল নিয়ে খেলতে খেলতে উত্তর দেন। যিনি সবচেয়ে কম সময়ে বেশি সংখ্যক সঠিক উত্তর দিয়েছেন, তিনি বিজয়ী হয়ে পুরস্কার পেয়েছেন।

তা ছাড়া দিনব্যাপী এই আয়োজনের বিশেষ আয়োজন ছিল বিনা মূল্যে পরামর্শ সেবা প্রদান। দুজন মনোরোগ চিকিৎসক বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী ও মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ দেন। তাঁরা হলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক মোহিত কামাল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিভাগের অধ্যাপক, সাইকোথেরাপি উইং প্রধান, ওসিডি ক্লিনিক ও জেরিয়াট্রিক ক্লিনিকের কনসালট্যান্ট ডা. সুলতানা আলগিন। মাদকবিরোধী ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে ১৫ জন পাঠক এই সেবা গ্রহণ করেন।

আনন্দঘন এই আয়োজনে পাঠকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের খুব চমকিত করেছে। বছর ঘুর আবার বারবার হোক এই আয়োজন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।