default-image

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নটি যমুনার একদম তীর ঘেঁষে। ইউনিয়নের বেশির ভাগ অংশ অনেক আগেই নদীগর্ভে চলে গেছে। নদীর পানি বাড়লে সবার আগে বিপদে পড়ে এই ইউনিয়নের মানুষ।

নতুনপাড়া গ্রামের ফরিদা বেগম (৭০) দুই দফায় ২০ দিন ধরে পানিবন্দী রয়েছেন। এর মধ্যে গ্রামে ত্রাণের নৌকা এলেও তিনি হুড়োহুড়ি করে ছুটতে পারেননি বলে ত্রাণ পাননি। গতকাল শনিবার প্রথম আলো ট্রাস্টের ত্রাণ পেয়ে এই জ্যেষ্ঠ নাগরিক বললেন, ‘বুইড়া মানুষ, পাড়াপাড়ি কইরা ইলিপ লইতে পাইনা। এই পোত্তম শান্তিতে ইলিপ পাইলাম। কইডা দিন খাউন যাব।’

ইসলামপুর সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার ভাঙাচোরা রাস্তা পেরিয়ে নোয়ারপাড়া ইউনিয়ন। বর্ষায় কেবল নৌকাই চলে। দুর্গম এ এলাকার ৫টি গ্রামের ১০০ নারী-পুরুষ গতকাল প্রথম আলো ট্রাস্টের ত্রাণ পেয়েছেন, যাঁদের বেশির ভাগই বয়স্ক। ত্রাণ পেতে যুবাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পেরে ওঠেন না বলে এখন পর্যন্ত তাঁরা কিছু পাননি। প্রথম আলো বন্ধুসভার সদস্যরা আগের দিন এই এলাকায় ঘুরে ঘুরে এমন বয়স্ক ও দুস্থ বানভাসিদের তালিকা করেন। মাঠ-ঘাট তলিয়ে থাকায় ত্রাণ বিতরণের জায়গা পাওয়াও মুশকিল। পরে উলিয়া এলাকার একটি বালুর চরে ত্রাণ দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামালপুর বন্ধুসভা সভাপতি এস এম সিফাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল হাদী প্রমুখ।

কাঠমা গ্রামের বানভাসি বেদেনা বেগম (৭৫) বললেন, ‘বানের পানি সব ভাসায় দিবে, ঠাওর পাইনি। এক হপ্তা খাউন-দাউন নাই। আস্তায় পইড়া আছি। শহর থাইকা এঠাই অনেক দূর। কেউ ইলিপ দিতে আবার চায় না।’

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় আপনিও এগিয়ে আসতে পারেন।
হিসাবের নাম: প্রথম আলো ট্রাস্ট/ ত্রাণ তহবিল
হিসাব নম্বর: ২০৭ ২০০ ১১১৯৪
ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, কারওয়ান বাজার শাখা, ঢাকা।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0