default-image

অ্যাসিড-সন্ত্রাসের ঘটনা তিন অঙ্ক থেকে দুই অঙ্কে নেমে এসেছে। অ্যাসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশনের (এএসএফ ) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৯ বছরের মধ্যে ২০০২ সালে অ্যাসিড-সন্ত্রাসের ঘটনা ছিল সবচেয়ে বেশি—৪৯৪ টি। ২০০৩ সালে ৪১৭ টি। ২০০৪ সালে ৩২৬ টি। ২০০৫ সালে ২২২ টি। ২০০৬ সালে ১৮৩ টি।২০০৭ সালে ১৬২ টি।২০০৮ সালে ১৪২ টি।২০০৯ সালে ১২৯ টি। ২০১০ সালে ১২২ টি। ২০১১ সালে ৯১ টি। ২০১২ সালে ৭১ টি।২০১৩ সালে ৭০ টি।২০১৪ সালে ৫৯ টি। ২০১৫ সালে ৫৯টি। ২০১৬ সালে ৪৪ টি। ২০১৭ সালে৩৯ টি।২০১৮ সালে ১৮ টি। ২০১৯ সালে ১৯টি।২০২০ সালে এমন ঘটনা ঘটেছে ২০ টি।

অ্যাসিড সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা প্রদান, আইনি সহায়তা, পুনর্বাসন, মর্যাদাপূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠা ও অ্যাসিড সন্ত্রাস নির্মূলের লক্ষ্যে ২০০০ সালে গঠিত হয় অ্যাসিডদগ্ধ নারীদের জন্য প্রথম আলো সহায়ক তহবিল। একই লক্ষ্যে সারা দেশে সরকার এবং অ্যাসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশন (এএসএফ), ব্র্যাক, অ্যাকশনএইডসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা অ্যাসিড সন্ত্রাস মোকাবিলায় একযোগে কাজ করে আসছে। কঠোর আইনি ব্যবস্থা, গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার ও বহুমুখী কার্যক্রমের ফলে অ্যাসিড-সন্ত্রাসের ঘটনা তিন অঙ্ক (ডিজিট) থেকে দুই অঙ্কে নেমে এসেছে। গত দেড় যুগের মধ্যে অ্যাসিড-সন্ত্রাসের ঘটনা এখন কম। শুধু তাই নয়, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন অ্যাসিড-সন্ত্রাসের শিকার নারীরাও।

বিজ্ঞাপন
প্রথম আলো ট্রাস্ট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন