default-image

শাকিল শাওন ইমন। এক ভূমিহীন বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময়ই বাবা আব্দুল কুদ্দুস মৃধা অসুস্থ হয়ে মারা যান। মা মোছা. ছাবিয়া বেগম অল্প বেতনে অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করেন। কপালের ফের, দেখারও কেউ নেই। একটি মাত্র ছোট্ট ছাপড়া ঘরে দুটি ছাগলের সঙ্গেই বসবাস মা আর ছেলের। সেই ঘরে পড়াশোনা করতেন । ২০১৮ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে নাটোরের পণ্ডিতগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পান শাকিল শাওন ইমন। পণ্ডিতগ্রাম উচ্চ স্কুলের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন জানালেন, এলাকার শিক্ষকেরা তাকে বিনা বেতনে প্রয়োজন মতো প্রাইভেটও পড়িয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ঢাকার এক চিকিৎসক দম্পতির সহযোগিতায় প্রথম আলো ট্রাস্ট-অদম্য মেধাবী তহবিল এইচএসসি পর্যায়ে শিক্ষাবৃত্তি পান । ২০২০ সালে এইচএসসিতেও শাকিল শাওন জিপিএ ৫ পেয়েছেন।

ইমনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হতে চান। এখন কয়েকটি টিউশনি করাচ্ছেন । ইঞ্জিনিয়ারিং এর পাশাপাশি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন ।

শাকিল শাওন ইমন বলেন, লেখাপড়া শেষ করে সমাজের জন্য কাজ করার ইচ্ছা আছে।

প্রথম আলো ট্রাস্ট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন