বিজ্ঞাপন

রাজেশের ঘুরে দাঁড়ানোয় বড় ভূমিকা ছিল তাঁর মা মিলু ভৌমিকের (ছদ্মনাম) । রাজেশ বলেন, ‘মা খুব করে চাইতেন আমি সুস্থ হই। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখে তিনি প্রথম আলো ট্রাস্টের মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা অনুষ্ঠানে যাওয়া শুরু করেন। প্রতি মাসে যেতেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ শুনতেন।’ মা মিলু ভৌমিক ২০১৬ সালে চলে গেছেন না–ফেরার দেশে।

রাজেশ সাড়ে ছয় মাস চিকিৎসা নেন মাদকাসক্ত মানুষের জন্য পুনর্বাসনকেন্দ্র ‘আপন’-এ। তারপর দুই মাস সেখানে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেন। সুস্থ হওয়ার পর থেকে প্রথম আলোর মাদকবিরোধী আয়োজনের নিয়মিত আয়োজন—পরামর্শ সহায়তার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতেন তিনি। একসময় পরামর্শ নিতে আসা অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবও দিতে শুরু করেন। এখন তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী।

রাজধানীর ধানমন্ডি ডব্লিউ ভি এ মিলনায়তনে প্রতি মাসে আয়োজন করা হয় মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তার। এই অনুষ্ঠানটি দুটো ভাগে বিভক্ত। একটি হলো রোগীর সঙ্গে চিকিৎসকের একান্ত কথাবার্তা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণ । আর দ্বিতীয়টি হলো নাম পরিচয় প্রকাশ না করে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতামত ও আলোচনা।

যদিও করোনা পরিস্থিতির কারণে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সাময়িকভাবে বন্ধ আছে।

প্রথম আলো ট্রাস্ট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন