default-image

পুরান ঢাকা ব্যবসায়ী বাবার একমাত্র সন্তান দবির হোসেন (ছদ্মনাম)। অল্প বয়সেই পারিবারিক ব্যবসা চালের আড়তে বাবার পাশাপাশি দেখভালের দায়িত্ব এসে চাপে কাঁধে। কিন্তু দবির হোসেন এক পর্যায়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। সন্তানের মাদকাসক্ত হওয়ার পরের গল্পটি বাবার মুখে শুনি। ‘চালের আড়তে দায়িত্ব নেওয়ার ফলে ওর (দবির হোসেন) হাতে অনেক টাকা চলে আসে। টাকার লোভে অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক খারাপ বন্ধু জুটে যায়। তাদের পাল্লায় পড়ে আমার ভালো ছেলেটি অন্ধকার জগতে চলে যায়। আমরা কিছু করতে পারি নাই।’ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বাবার সরল স্বীকারোক্তি।

মাদক থেকে দূরে রাখার জন্য বিয়ে করানো হয়। ঝাড়ফুঁকসহ অনেক কিছু করানো হয়। কিন্তু কোনো কিছুতেই কিছু হয় না। অবশেষে আলোকবর্তিকা হিসেবে দেখা পান প্রথম আলো ট্রাস্ট মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা অনুষ্ঠানের। দবির হোসেনের মতো অনেকেই এ আয়োজনে এসে সহায়তা নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেছেন।

মাদক গ্রহণ কোনো সমাধান নয়। ভালো থাকতে হলে মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে।

রাজধানীর ধানমন্ডি ডব্লিউ ভি এ মিলনায়তনে প্রতি মাসে আয়োজন করা হয় মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তার। এই অনুষ্ঠানটি দুটো ভাগে বিভক্ত। একটি হলো রোগীর সঙ্গে চিকিৎসকের একান্ত কথাবার্তা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণ । আর দ্বিতীয়টি হলো নাম পরিচয় প্রকাশ না করে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতামত ও আলোচনা ।

যদিও করোনা পরিস্থিতির কারণে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সাময়িকভাবে বন্ধ আছে

বিজ্ঞাপন
প্রথম আলো ট্রাস্ট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন