বিজ্ঞাপন

১৯৯৯ সালের আগস্ট মাসের ১৭তম দিনটির কথা মনে হলে এখনো আঁতকে ওঠেন আসমা। প্রথমে প্রেমের, পরে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সেদিন প্রতিবেশী আসাদুল্লাহ মিয়া নামে এক বখাটের ছুড়ে মারা অ্যাসিডে আসমার মুখ ঝলসে যায়। তখন আসমা স্থানীয় বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। দীর্ঘ চিকিৎসায় ধীরে ধীরে মুখের কিছুটা স্বাভাবিকতা ফিরে পান তিনি। আসমার আকস্মিক এই ধূসর জীবনে বন্ধু হয়ে পাশে দাঁড়ায় ‘অ্যাসিডদগ্ধ নারীদের জন্য প্রথম আলো সহায়ক তহবিল । তহবিলের অর্থে চিকিৎসা ও পড়াশোনা চলে সমানভাবে।

২০০৫ সালে চাচাতো ভাই জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। আসমা-জয়নাল দম্পতির তিন সন্তান। মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস বিদ্যালয়ে পড়ছে। আরেক মেয়ে লামিয়া, ছেলে সিয়াম । আসমা বলেন, ‘সেই দিন প্রথম আলো পাশে না থাকলে আজ হয়তো এমন জীবনের দেখা পেতাম না। নিয়মিত বৃত্তি পেতাম বলে মনে বল পেয়েছিলাম। এই বল পাওয়ার কারণেই পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছিল। আর পড়াশোনা করতে পেরেছি বলে আজ চাকরি পেয়ে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে পেরেছি। আইনি সফলতাও এসেছে।’

আসমা বলেন, ‘আমি ভালো আছি। সুখে আছি।’

প্রথম আলো ট্রাস্ট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন