default-image

অভাবের সংসারে স্বামীর সহযোগিতা আর ভালোবাসা টিকিয়ে রেখেছে নিলুফা বেগমের বেঁচে থাকার তীব্র বাসনা। তাই চুলা জ্বালানো, রান্নার কাজ- সবই এখন করতে হয় তাকে। স্বামী ও স্ত্রীর আয়ে ভালো চলছিল সংসার। হঠাৎ জীবনে নেমে আসে পঙ্গুত্বের অভিশাপ। সাভারের রানা প্লাজা ভবনধসে আহতদের একজন নিলুফা বেগম।পঞ্চম তলায় নিউ ওয়েভ স্টাইল লিমিটেডে অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন নিলুফা বেগম।

দুর্ঘটনার সময় নিলুফার পায়ের ওপরে একটি বিম পড়ে যায়। সেই বিমের আঘাতে ডান পা ক্ষতবিক্ষত হয়। সাড়ে নয় ঘণ্টা পর নিলুফাকে উদ্ধার করে নেওয়া হয়েছিল হাসপাতালে। সরকারি-বেসরকারি সহায়তার পরও পঙ্গুত্বের হাত থেকে রেহাই মেলেনি নিলুফা বেগমের।

বিজ্ঞাপন
default-image

স্ট্রেচার কিংবা হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতে হয়। ওইসব ছাড়া হাঁটতে পারেন না তিনি। কিন্তু জীবন সংগ্রাম যেন থেমে নেই। মেরিল-প্রথম আলো সাভার সহায়তা তহবিল থেকে এক লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। চা বিক্রি করে অর্জিত আয়ে কোনো মতে চলছে তাদের সংসার।

একমাত্র সন্তান রিফাত পাটোয়ারীকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ প্রেরণাই তাকে এখন তাড়িয়ে বেড়ায়। অভাবের সংসারে একমাত্র সন্তানই যেন আশার আলো।

প্রথম আলো ট্রাস্ট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন