রানা প্লাজা ধসে প্রাণ হারিয়েছিলেন অন্তত ১ হাজার ১৩৬ জন, যাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন পোশাক কারখানার শ্রমিক। এ দুর্ঘটনা শুধু স্বজন হারানোর বেদনা নয়, বহু পরিবারে নিয়ে আসে বহুমাত্রিক সংকট। স
ঢাকার সাভারের ছেলে ইমাম হাসান । তিন ভাইবোনের মধ্যে সে সবার ছোট। বাবা চাকরি করতেন, মা গৃহিনী। এই পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু সবকিছু তছনছ করে দেয় ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা ভবন ধসের ঘটনা
রাঈমা জাহান তিন ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয়। বাবা চাকরি করতেন, মা গৃহিনী। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ভবন ধসে সব তছনছ হয়ে যায়। বাবা ইসরাঈল বিশ্বাস এ ঘটনায় মারা যান। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বাবা ...
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিলে ঘটে যাওয়া শতাব্দীর ভয়াবহতম ভবন বিপর্যয় সাভারের রানা প্লাজা ধসে এক হাজার ১৩৪ পোশাককর্মী নিহত হন। কেউ হারায় বাবাকে, কেউ হারায় মা কে। পরিবারের উপার্জন করা মানুষটি চলে যাওয়ার পর ...
২০ ছেলেমেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাচ্ছে মেরিল-প্রথম আলো সাভার সহায়তা তহবিল।রানা প্লাজার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন পারভিন বেগম। ভবন ধসের ১১ দিন পর তাঁর মৃতদেহ পাওয়া যায়। তাঁর রেখে যাওয়া ছোট্ট পাপিয়া ...