বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সে যাতে খারাপ বন্ধুদের সঙ্গে না মিশে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। মোবাইলের ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। সে কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় মাদক নিত। সেসব জায়গায় যেন না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। টাকাপয়সা যেন না পায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু তার ভালো প্রয়োজনগুলো মেটাতে হবে। তার প্রিয় খাবার, জামাকাপড়, শখের জিনিস অভিভাবক কিনে দেবেন। কিন্তু হাতে টাকা দেওয়া যাবে না। কোনো রোগী ভালো হওয়ার অন্তত দুই থেকে তিন বছর পর্যন্ত এভাবে চলতে হবে। এ সময়ের মধ্যে যদি কোনোভাবে মাদক গ্রহণ না করে, তাহলে পরবর্তী সময়ে সে স্বাধীনভাবে চলতে পারবে। কিন্তু তেল পড়া, পানি পড়া দেওয়ার দরকার নেই। এতে কোনো কাজ হবে না। কিন্তু মনের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।

উল্লেখ্য করোনাকালে প্রথম আলো ট্রাস্টের মাদকবিরোধী অনলাইন পরামর্শ সভা হয়েছে ২৪টি। প্রথম আলো ও ট্রাস্টের ফেসবুক পেজ এবং প্রথম আলোর ইউটিউব চ্যানেল থেকে এই আয়োজনটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। দর্শকেরা সরাসরি যুক্ত হয়ে বিশেষজ্ঞ মনোরোগ চিকিৎসকদের প্রশ্ন করে প্রয়োজনীয় উত্তর জেনে নেন।

মাদকবিরোধী আন্দোলন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন