বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৯ সালে গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালা থেকে জেএসসি পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ-৪.৫৮ পেয়ে পাস করেন। মেয়ের ফলাফল দেখে সুমিতা বাবা-মা এখন সুমিতাকে আরও পড়াতে চান।

সুমিতার পড়ালেখার বিষয়ে তাঁর বাবার সাথে কথা বললে বিহারু দাস বলেন, ‘সংসারের অভাবে প্রথমে মনে করছিনু মেয়েকে বেশি দূর পর্যন্ত পড়ামু না। বিহা দিয়ে দিমু। কিন্তু যখন এইট-এ পাস করল তখন বেবাকে বুলল, তোর বেটি ভাল রেজাল্ট করিছে। পড়ালে ভালই করবু। পরীক্ষার আগে সুমিতার মাও বুলছোলো সুমিতাকে না হলে এবার বিহা দিয়ে দেই। বেটি বড় হয়েছে আর কত পড়ামু।বিহার কথা শুনে সুমিতা কানতে লাগছিল। সুমিতা বুলল, হামি আরও পড়মু। আর পড়াতে তো তোমাদের টাকা দিতে হয় না। স্কুলত থাকেই তো সব দেয়। তাহলে তোমাদের পড়াতে সমস্যা কিসের। আসলেই হামার বেটির পড়ার জন্যে হামাক কোন খরচ দিতে হয় না। আবার হামার বেটির স্কুলত যাওয়ার জন্যে স্কুল থেকে সাইকেল দিছে। করোনার সময় ও ঈদের সময় দুইবার করে ত্রান দিছে। তারপর মশারি, কম্বলও দিছে। আরোও মেলাই কিছু পাইছি।’

পড়ালেখার ব্যাপারে সুমিতার সাথে কথা বললে সুমিতা রানী বলেন, ‘আমি আরও পড়তে চাই। আর এখন বিয়ের ব্যাপারেও ভাবছি না। স্কুলের সহযোগিতাতে আমি অনেক এগিয়েছি। আমি ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষা দিব এবং ভালো রেজাল্ট করতে চাই। স্কুলের সহযোগিতা ও স্যারদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে আমি এত দূর পর্যন্ত আসতে পেরেছি।’

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন