বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বিবি মুরমু বলেন, ‘রিমার বাবা ঠিক মতন খাটে না। মাইয়্যা বড় হোইছে। আর গেরামে মাইয়্যা বড় হয়্যা গেলে নানারুকুম সমস্যায় পড়তে হয়।’

রিমা হাসদার সঙ্গে বাবুডাইং আলোর পাঠশালার সহকারী শিক্ষক সোনিয়া খাতুন শশী একান্তে কথা বলেন। এ সময় রিমা হাসাদা জানায়, সে বাল্যবিয়ে করতে চায় না। পড়াশোনা করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কিছু করতে চায়। শিক্ষককে অনুরোধ করেন তার বিয়েটি বন্ধ করার জন্য। এ সময় শিক্ষকেরা তার বাবা-মাকে বুঝালে বিয়ে বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেন। প্রয়োজনে লেখাপড়ার দায়িত্বও নেওয়া হবে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বলে জানানো হয়। অবশেষে বাল্যবিয়েটি বন্ধ হয়।

রিমা হাসদা জানায়, শিক্ষকদের সহযোগিতায় নিজের বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে পেরেছি। অন্য মেয়েদেরও বাল্যবিয়ে হলে এভাবেই রোধ করার চেষ্টা করব।

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে বহুদিন শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি এ রকম অবহেলিত কয়েকটি এলাকায় শিক্ষার আলো পৌঁছে দিচ্ছে প্রথম আলো ট্রাস্ট। সামিট গ্রুপের আর্থিক সহায়তায় বাবুডাইং আলোর পাঠশালাসহ ৬টি স্কুল পরিচালনা করছে।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন