বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিপাশা জানায়, ‘আলোর পাঠশালা আমাকে পড়াশোনার সুযোগ করেছে বিনা বেতনে। আমি এখন পড়তে পারব, আর কোনো বাধা নেই।’

বিপাশার বাবা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়ের বিয়ে দিয়ে ভুল করেছিলাম। আর ভুল করব না। মেয়েকে পড়াতে চাই। মেয়ের আগ্রহ দেখে এখন বুঝতে পারছি আমি মেয়ের বিয়ে দিয়ে ভুল করেছিলাম। আমার মতো কেউ যেন বাল্যকালে মেয়ের বিয়ে দিয়ে ভুল না করে।’

রেজিনা খাতুন আরও বলেন, ‘অল্প বয়সে বিপাশার বিয়ে দেওয়ার কথা শুনে আমরা হতাশ হয়েছিলাম। মেয়েটির পড়াশোনার আগ্রহ দেখে আমরা খুশি।’

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে বহুদিন শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি এ রকম অবহেলিত কয়েকটি এলাকায় শিক্ষার আলো পৌঁছে দিচ্ছে প্রথম আলো ট্রাস্ট। সামিট গ্রুপের আর্থিক সহায়তায় প্রথম আলো ট্রাস্ট রাজশাহী আলোর পাঠশালাসহ ৬টি স্কুল পরিচালনা করছে।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন