বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক মো. নূর আলম বলেন, পয়লা বৈশাখের সকালে শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। গরুর গাড়ি সাজিয়ে সামনে মাইক বেঁধে দিয়ে সামনে গরুর গাড়ি ধীরে ধীরে চলে আর পেছনে রাস্তার দুই পাশ দিয়ে শিক্ষার্থীরা হেঁটে যায়। একই সাথে সবার মুখে গান উচ্চারিত হয়- "এসো হে বৈশাখ এসো এসো"।

এগুলো দেখে গুড়িহারী গ্রামের বাসিন্দা নুরুল আমিন বলেন, ‘এই বিদ্যালয়টি হওয়ার আগে আমাদের গ্রামে কোনো দিন পয়লা বৈশাখ পালন করতে দেখিনি। আলোর পাঠশালাটি হওয়ার পর থেকে আমাদের গ্রামে পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপন করা হয়। সেই দিন আমি সারা দিন স্কুলের দিকে থাকি এবং সাহায্য-সহযোগিতা করি। আমার খুব ভালো লাগে।’

গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থী আসমাউল হোসনা বলেন, ‘এই বিদ্যালয়ে যেমনভাবে বর্ষবরণ উদ্‌যাপন করা হয় অন্য স্কুলে তেমনিভাবে বর্ষবরণ উদ্‌যাপন করা হয় না। এই স্কুলে লেখাপড়া যেমন ভালো পাশাপাশি বিনোদনও হয়। পয়লা বৈশাখের দিন আমরা সবাই অনেক আনন্দ করি।’

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে বহুদিন শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি এ রকম অবহেলিত কয়েকটি এলাকায় শিক্ষার আলো পৌঁছে দিচ্ছে প্রথম আলো ট্রাস্ট। সামিট গ্রুপের আর্থিক সহায়তায় প্রথম আলো ট্রাস্ট গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালাসহ ৬টি স্কুল পরিচালনা করছে।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন