তুনজেরার বাবা তরিকুল ইসলাম বলেন, 'হামার দু ছ্যালা-পিলা। নিজে নিলফামারিতে হরেক রকম কাঁচা মালের ব্যবসা করি। নিজে বেশিদূর পড়ালেখা করতে পারিনি। তাই হামার স্বপ্ন, ছ্যালাপিলাকে পড়াবো। টাকার কথা ভাবিনি। ওরাকে পড়াতে টাকা লিয়্যা চিন্তা করিনা। হামার বেটিটাকে এতদূর পড়ানোর ল্যাগা মাস্টাররাও পরিশ্রম করে। একদিন  স্কুলে না গেলে মোবাইল কইর‌্যা খোঁজ লিতে থাকে।'

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক লুইশ মুরমু বলেন, 'তুনজেরা পড়ালেখাতে ভালো। তার পরিবারও পড়াশোনাতে এগিয়ে নিতে তাকে সাহায্য করে। তার বাবা প্রায়ই মেয়ের খোঁজ নেন।' পরিবার ও আলোর পাঠশালার শিক্ষকদের সহযোগিতায় পড়ালেখা এগিয়ে নিচ্ছেন তুনজেরা।

আলোর পাঠশালা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন