default-image

কথা বলতে পারলেও কানে কম শোনেন। এভাবেই স্ত্রী আর এক ছেলে নিয়ে কোনোরকমে জীবন চালিয়ে নিচ্ছিলেন আবদুর রশিদ (৭০)। করোনাকালের অভাবের মধ্যে বন্যার হানায় আর পারছেন না, জীবন যেন চলছেই না।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ধরলা আর রতনাই নদ–নদীপারের গ্রামগুলো বন্যার পানিতে ভাসছে। অভাব আর খাবারের সংকট ঘরে ঘরে। গতকাল বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার চর কুলাঘাট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে প্রথম আলো ট্রাস্টের পক্ষ থেকে এ রকম এক শ বানভাসি পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন প্রথম আলো বন্ধুসভার সদস্যরা। ত্রাণ হিসেবে দেওয়া ব্যাগে ছিল চাল, ডাল, লবণ, সয়াবিন তেল ও একটি করে সাবান।

ত্রাণ বিতরণে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম, কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও চর কুলাঘাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস আলী, সহকারী শিক্ষক আফসার উদ্দিন প্রমুখ।

পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা বলেন, করোনা সংকট ও বন্যার এ সময়ে প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে ত্রাণসহায়তা কার্যক্রম প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয় একটি ভালো কাজ।

ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী বলেন, প্রথম আলোর একটি স্লোগান, ‘যা কিছু ভালো, তার সঙ্গে প্রথম আলো’। করোনা ও বন্যার মতো সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে পত্রিকাটি সেই প্রমাণ রাখে।

অনুদান

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রথম আলো ট্রাস্টের ত্রাণ তহবিলে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত অনুদান:

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অফিসে এসে দিয়ে গেছেন ৫ লাখ টাকা। ঢাকা ব্যাংকের হিসাবে একজন ২ লাখ ১০ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন, আরেকজন ১ লাখ টাকা জমা দেন। একই হিসাবে জেবা ইসলাম সেরাজ ৫০ হাজার টাকা, ডা. খালেদা ও বজলুর রহমান ৩০ হাজার টাকা, এম আফজাল হোসেন ২৫ হাজার টাকা, সাইফুল আজিম ২০ হাজার টাকা, শামীমা সুলতানা ১০ হাজার টাকা, কানাডাপ্রবাসী মহসিন ৫ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া আরও ৩০ জন ব্যাংকে অনুদান জমা দিয়েছেন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত জমা পড়েছে ১৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় আপনিও এগিয়ে আসতে পারেন।

হিসাবের নাম: প্রথম আলো ট্রাস্ট/ত্রাণ তহবিল

হিসাব নম্বর: ২০৭ ২০০ ১১১৯৪

ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, কারওয়ান বাজার শাখা, ঢাকা।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0